যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন ছাত্রীর দায়ের করা মামলার পর ২০২৪ সালের কথিত যৌন নির্যাতনের ঘটনা নতুন করে পর্যালোচনা করছেন নিউইয়র্কের টম্পকিন্স কাউন্টির প্রসিকিউটররা। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাই ফাই ফ্র্যাটারনিটির সাত সদস্যের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে মাদক সেবনে বাধ্য করে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার নথি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ওই তরুণীর বয়স ছিল ২০ বছর। ২০২৪ সালে তিনি ইথাকার কাই ফাই ফ্র্যাটারনিটি হাউসে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁর অভিযোগ, সেখানে দুই সদস্য তাঁকে কেটামিন জাতীয় মাদক সেবনে বাধ্য করেন। পরে তিনি অচেতন বা অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় থাকাকালে একাধিক ব্যক্তি তাঁর সম্মতি ছাড়া যৌন নির্যাতন চালান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ‘কাই ফাই অ্যাক্টিভস’ নামে একটি স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপে অশ্লীল বার্তা আদান-প্রদান হয়। পরে আরও কয়েকজন সেখানে গিয়ে তরুণীকে যৌন নির্যাতন করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। আদালতে এসব বার্তার স্ক্রিনশটও দাখিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী। তাঁর আইনজীবীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে দুজনকে বহিষ্কার করা হলেও অন্যদের বিরুদ্ধে তুলনামূলক কম মাত্রার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ওই তরুণী পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে টম্পকিন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানিয়েছে, পুলিশি তদন্ত পর্যালোচনার পর ফৌজদারি অভিযোগ আনার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নতুন মামলার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি ফের পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নীতিমালা অনুযায়ী অভিযোগটি তদন্ত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় আরও বলেছে, কাই ফাইয়ের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়কে ক্যাম্পাস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ঘটনার পর যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনসহ নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। কাই ফাইয়ের জাতীয় সদর দপ্তরও অভিযোগগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা জানিয়েছে।
মামলার নথি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ওই তরুণীর বয়স ছিল ২০ বছর। ২০২৪ সালে তিনি ইথাকার কাই ফাই ফ্র্যাটারনিটি হাউসে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁর অভিযোগ, সেখানে দুই সদস্য তাঁকে কেটামিন জাতীয় মাদক সেবনে বাধ্য করেন। পরে তিনি অচেতন বা অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় থাকাকালে একাধিক ব্যক্তি তাঁর সম্মতি ছাড়া যৌন নির্যাতন চালান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ‘কাই ফাই অ্যাক্টিভস’ নামে একটি স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপে অশ্লীল বার্তা আদান-প্রদান হয়। পরে আরও কয়েকজন সেখানে গিয়ে তরুণীকে যৌন নির্যাতন করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। আদালতে এসব বার্তার স্ক্রিনশটও দাখিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী। তাঁর আইনজীবীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে দুজনকে বহিষ্কার করা হলেও অন্যদের বিরুদ্ধে তুলনামূলক কম মাত্রার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ওই তরুণী পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে টম্পকিন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানিয়েছে, পুলিশি তদন্ত পর্যালোচনার পর ফৌজদারি অভিযোগ আনার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নতুন মামলার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি ফের পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নীতিমালা অনুযায়ী অভিযোগটি তদন্ত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় আরও বলেছে, কাই ফাইয়ের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়কে ক্যাম্পাস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ঘটনার পর যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনসহ নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। কাই ফাইয়ের জাতীয় সদর দপ্তরও অভিযোগগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক